রিডিং বিটুইন দা লাইনস - বই রিভিউ
জুন মাসের ২৩ তারিখে লেখক ইমরুল হাসান তার ফেসবুক প্রোফাইলে জানাইলেন যে, উনি ওনার বই রিভিউগুলা নিয়া একটা বই পাবলিশ করতে চান। প্রথমে সফটকপি বিক্রি করবেন শুইনা আগ্রহ লাগলো।
Articles in English and Bengali on technology, literature, and personal reflections.
জুন মাসের ২৩ তারিখে লেখক ইমরুল হাসান তার ফেসবুক প্রোফাইলে জানাইলেন যে, উনি ওনার বই রিভিউগুলা নিয়া একটা বই পাবলিশ করতে চান। প্রথমে সফটকপি বিক্রি করবেন শুইনা আগ্রহ লাগলো।
বাংলা সাহিত্যে ২০১২ সালে দুইটা সিগনিফিকেন্ট ঘটনা ঘটে। হুমায়ুন আহমেদের মৃত্যু। আর শরিফুল হাসানের "সাম্ভালা" প্রকাশিত হয়। নিয়মিত থ্রীলার পাঠক ছাড়া বইটা চোখ এড়িয়ে গিয়েছে সবারই।
মাত্র ১৬০ পৃষ্ঠার একটা বই। হযরত মুহাম্মদ (স:) এর জীবনী কারো পড়া না থাকলে একদম বিগিনিং হিসেবে শুরু করা যেতেই পারে।
জীবনের খেলাঘরে খেলতে খেলতে পরিচয় হয় কতো শত মানুষের সাথে। অন্তরের অন্ত:স্থলে জায়গা কেড়ে নেয় কেবলই কয়েকজন। আর সেই কয়েকজনকেই বা আমরা ভালোমতো চিনি কিংবা জানি? জীবনের নির্মম নিষ্পেষনের দহনে পুুড়তে পুড়তে কয়লা হয়ে যাওয়া প্রতিটা মানুষের হৃদয়ের কালি মাখা চাদরের আড়ালের জীবন সম্পর্কে ক'জন ই বা জানি?
As part of re-instigating, the idea of Islam in my mind, have started my journey with some books from the non-muslim viewpoint. Karen Armstrong's book has been greatly applauded by the scholars both for his lucid writing skill and joining different part of history.
"ঢাকা শহর থেকে যদি বের হয়ে যেতে পারতাম!!!"
পড়ার মুড আর আবেদন শেষ হওয়ার আগেই রিভিউ লেখা লাগে। নাহলে ঠিক ঐ সময়ের আবেগটা প্রকাশ করা যায়না। তবে আরেকটা ব্যাপার আছে যে, সময়ের সাথে বইয়েদর আবেদন যত কমতে থাকে, বই সম্পর্কে স্বাধীনভাবে চিন্তা করার পথ ততবেশী প্রশস্ত হয়। "Born A Crime" বইটা নিয়ে এতো স্বাধীনভাবে চিন্তা করতে আগ্রহী নই।
তৎকালীন বার্মায় অবস্থানরত কিছু ব্রিটিশের জীবন নিয়ে লেখা বইটি। ব্যাক্তিগত জীবনে অরওয়েল বার্মায় কিছুদিন পুলিশের কাজ করেছেন। সেই অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে সেই সময়ের কিছু চিত্র আমরা দেখতে পাই বইতে।
ক্যাডেট কলেজ নিয়ে আমার আগ্রহ জন্ম হয় অনেক পরে। আমার আশেপাশের ভালো ছাত্ররা যখন ক্যাডেট কলেজের ভর্তি হওয়ার জন্য MSC ক্যাডেট কলেজে দৌড়াদৌড়ি করছিলো রাতদিন, আমি তখন নিরাসক্ত মনে তাদের দৌড়ঝাঁপ দেখতাম। লেখকের মতোন আমার কোন মামা ছিলোনা ক্যাডেটের জন্যে ইন্সপায়ার করার জন্যে। ক্যাডেটের ব্যাপারে হালকা আগ্রহও তৈরি হয় কলেজে ওঠার পরে যখন প্রথম বাসায় কম্পিউটার পেলাম আর ক্যাডেট কলেজ ব্লগে হালকা পাতলা ঢু মারা শুরু করলাম। তাদের হাসি কান্নার বর্ণনার সাথে আমিও যেন একাত্ম হয়ে যেতাম।
জর্জ অরওয়েলের "1984" এর একটা চ্যাপ্টারে উপন্যাসের নায়ক উইনস্টনের চাকুরীর বর্ণনা দেওয়া ছিলো। সে যেই ডিপার্টমেন্টে কাজ করতো সেটার কাজ ছিল সোজা বাংলায় "ইতিহাস পরিবর্তন" করা (যেই কাজটা এখনকার চেতনাজীবিরা অহরহ একটু ভিন্নভাবে করছেন। )। উইনস্টন কাজটা কিভাবে করতো সেদিকে একটু নজর দেওয়া যাক। গল্পের এন্টাগনিস্ট হলেন "বিগ ব্রাদার"। তিনি ১৯৮৪ সালের একজন শাসক। কঠোর হাতে তিনি যে কোন ধরণের বিরোধীতাকে দমন করেন। তিনি যা বলেন তাই তার এম্পায়ারের অতীত-বর্তমান-ভবিষ্যত ।
অদ্ভুত সুন্দর ! পরিতোষ সেন একজন চিত্রকর। শিল্পীর মনন, চিন্তা করার ক্ষমতা, দৃষ্টির তীক্ষ্ণতা হতে হয় সুনিপুণ।
১০দিন আগেও আমাকে কেউ রোমান্টিক উপন্যাসের সাজেশন চাইলে শুধু সৈয়দ মুজতবা আলীর “শবনম” পড়তে বলতাম। এখন তার সাথে এই বইয়ের নাম ও যোগ হচ্ছে।
বই লাভার'স পোলাপান (Boi lover's polapan) পাগলা অর্বাচীন ফাহিমের পোস্ট পড়ে অজান্তেই মুখে একটি মুচকি হাসি চলে এলো। পোস্টটা সেবা প্রকাশনী নিয়ে। ভাবছিলাম, সবগুলাই পাগল ছিলো এক কালে। কেউ বেশী আর কেউ কম। আর একেকজনের পাগলামি একেক জিনিস নিয়ে। কৈশোরের সময়কালে তিন গোয়েন্দা আরেকটু বড় হয়ে মাসুদ রানা যারা না পড়েছে, আমি মনে করি তাদের জীবনের একটা বড় মজার পার্ট মিস করেছে।|